প্রচ্ছদ কমিউনিটি সংবাদ গাফফার চৌধুরী হাজার বছর বাঙালির মেধা ও মননে বেঁচে থাকবেন -জন্মদিনে আশাবাদ

গাফফার চৌধুরী হাজার বছর বাঙালির মেধা ও মননে বেঁচে থাকবেন -জন্মদিনে আশাবাদ

822
0

মতিয়ার চৌধুরী/আনসার আহমদ উল্লাহ– লন্ডন থেকেঃজীবন্ত কিংবদন্তি প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট অমর একুশে গানের রচিয়তা আব্দুল গাফফার চৌধুরীর ৮১ তম জন্মদিন উদযাপন করল  চ্যানেল আই ইউরোপ।  ৮১তম জন্মদিনের এই  অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আ্ইস্টুডিও থেকে  সরাসরি সম্প্রচার করে চ্যানেল আই ইউরোপ।  চ্যানেল আই ইউরোপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রেজা আহমেদ চৌধুরী ফয়সল শোয়েব এর সঞ্চালনায় সরাসরি সম্প্রচারে আমন্ত্রিত অতিথিরা গাফফার চৌধুরী কে  জন্মদিনের ফুলেল  শুভেচ্ছা  জানান।

সরাসরির প্রচারিত অনুষ্টানে বৃটেন ও ইউরোপের  দর্শকরাও ফোনে তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।আমন্ত্রিত অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে গাফফার চৌধুরীর বর্নাঢ্য কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, গাফফার চৌধুরী হাজার বছর বাঙালির মেধা ও মননে বেঁচে থাকবেন। সবাই তাঁর শতায়ু  কামনা করেন।

শুধু মাত্র আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী গানের মাধ্যমে নয়, ৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে তিনি একনিষ্ঠ ভাবে তাঁর কলম যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন যা আজও বিদ্যমান। সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে হত্যাকারীরা ভেবেছিল তাঁর নাম ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলবে, গাফফার চৌধুরী সেই সময় বলেছেন বঙ্গবন্ধু শুধু একটি মানুষের নাম নয়, একটি আদর্শের নাম। আদর্শ কে কখনো মুছে ফেলা যায়না। বঙ্গবন্ধু স্বমহিমায় বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। তাই সত্য হয়েছে।

সাংবাদিক নাহাস পাশা গাফফার চৌধুরীকে অনুরোধ করেন ব্রিটেনে বাঙালি কমিনিউটি নিয়ে তাঁর দীর্ঘ ৪২ বছরের  অভিজ্ঞতা আগামী প্রজন্মের জন্য লিখে রেখে যেতে।  গাফফার চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে সবাই কে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন আমার সৌভাগ্য হয়েছে বঙ্গবন্ধুর অল্প সময়ের শাসনামল দেখার এবং শেখ হাসিনার শাসনকাল দেখার, শেখ হাসিনা সময় কে অতিক্রম করে সোনালী ইতিহাসে তাঁর নাম  লিখিয়েছেন।

শেখ হাসিনার কারনেই সম্ভব হয়েছে যুদ্ধপারাধীদের বিচার সম্পন্ন করা। আমি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করি, শেখ হাসিনার সমালোচনা করি কিন্তু বঙ্গবন্ধু ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ স্বপ্নের সাথে কখনো আপোষ করি নাই। গাফফার চৌধুরী বলেন  ব্রিটেনের মধ্যবিত্ত  বাঙালি কমিউনিটিতে  এখনো বাংলাদেশের মতো  সমালোচনা মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরী হয়নি । তাঁরা সমালোচনার ভুল ব্যাখা তৈরী করে। তাই ব্রিটেনে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা অনেকটাই  স্পর্শ কাতর ।

লন্ডনে সিলেট অঞ্চলের মানুষের অবদানের কথা ও তিনি স্বীকার করেন। ১৯৭৪ সালে লন্ডনে আসার পর এবং ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধূকে  হত্যার পর সিলেটের মানুষই নানা কাজে তাঁর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন ।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ শরীফ, ব্রিটেনে নিযুক্ত হাই কমিশনের প্রেস মিনিস্টার নাদিম কাদের, হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি  মনিরুল ইসলাম কবীর, জনমত পত্রিকার প্রধান সম্পাদক,  নাহাস পাশা, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সাংবাদিক  ইসহাক কাজল, সাংবাদিক আনসার আহমেদ উল্লাহ, সাংবাদিক সৈয়দ আনাছ পাশা, চিত্র পরিচারক ময়নুল হোসেন মুকুল, কবি দিলু নাসের, গবেষক নুরুদ্দিন আহমদ, বিশ্ববাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কমের সম্পাদক শাহ এম রহমান বেলাল,এক্সিকিউটিভ, এডিটটর শাহেদ রহমান, সাংবাদিক জুয়েল রাজ, জিবিনিউজ টুয়েন্টিফোরের সম্পাদক রাবি রুহেল, জামাল খান, খসরুজ্জামান খসরু, সাংবাদিক সরওয়ার কবীর, বেতার বাংলার প্রেজেন্টার নজরুল ইসলাম আকিব, মহিলা নেত্রী আনজুমান আরা অঞ্জু,সালিমা শারমীন, জুবায়ের আহমেদ, সারোয়ার হাসিনা আকতার,  শাহ ইমি,  সাজিয়া স্নিগ্ধা,  মাহমুদা মনি, সালমা আখতার, রাজিয়া রহমান, শাহনাজ সুমি, মিতা কামরান, তাহামিনা মানবাধিকার বেগম মিমি, উদীচির গোলাম মোস্তফা ও কবি গোলাম কবীর  প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here