প্রচ্ছদ প্রবন্ধ এবার যদি বেঁচে যাই আবার হাঁটবো সেই চেনা পথে…

এবার যদি বেঁচে যাই আবার হাঁটবো সেই চেনা পথে…

123
0
সৈয়দ মনসুর উদ্দিন সিকন: গত কদিন ধরে কেন জানি বাংলাদেশে আমার গ্রামের বাড়ীর সামনের রাস্তাটির কথা খুব মনে পড়ছে। আরো মনে পড়ছে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সাইকেল রিক্সার টুংটাং বেল, ধানক্ষেত ছুঁয়ে বেলঘর গ্রামের গাছ গাছালী আর শ্মশানের মঠের পিছনে প্রতিদিনের সূর্যের হারিয়ে যাওয়া।
কান পাতলেই যেন শুনতে পাই গভীর রাতে ইটাখোলা গ্রামের বুক চিড়ে চলা ট্রেনের ছন্দময় গর্জন আর শিয়ালের ডাক, শীতের রাতে চা বাগানগুলো থেকে ভেসে আসা পূঁজার গান আর যাত্রাপালার ডায়লগ – ‘সেনাপতি যুদ্ধের কী খবর?….!’
মনে পড়ছে বড় পুষ্কিনির (পুকুর) উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়া জোস্নার আলো ছায়ার কথা।লাক্স কিংবা কসকো সাবান মেখে ডুব দিয়ে সেই পুষ্কিনিতে গোসল করা হয় না কত বছর …।বাড়ীর সামনের রাস্তা ধরেই যেতে হতো হাই স্কুলে। জগদীশপুর বাজারকে পিছনে ফেলে যাওয়ার পথে চোখে পড়তো চা স্টলগুলোর সামনের টেবিলে সাজানো সিংগারার পিরামিড আর বালতিতে রাখা সাদা কালো মিষ্টি।নিয়মিতই কানে আসতো ক্যাসেট রেকর্ডারে বাজানো শামসাদ বেগমের গাওয়া বাহার ছবির বিখ্যাত ‘ছাইয়া দিলমে আনারে, ছম ছমা ছম…..’গানটি। মিষ্টির রস দিয়ে আয়েসি ভঙ্গিতে পাউরুটি খেতে দেখতাম কতজনকে। মনে মনে ভাবতাম বড় হয়ে একদিন আমিও তাদের মতো …।
বিকালে যখন একই রাস্তা দিয়ে বাড়ী ফিরতাম ততক্ষনে বাজার জমে উঠতো। বাজার বার হিসাবে বুধবার এবং রবিবার ভীড় হতো বেশী। এই বাজার বারের প্রধান আকর্ষন ছিলো পাশের তেলিয়াপাড়া বাস স্ট্যান্ডের এক কবিরাজ।খাজাবাবা নামের এই কবিরাজ ফরেস্ট অফিসের সামনে মাইকে বিক্রি করতো সর্বরোগের ওষুধ। নারী পুরুষের বিভিন্ন গোপন রোগের কথা মাইকে সে অবলিলায় বলে যেত ভয় জাগানো ভাষায়। সেই ভয়ে তরুনরা শিহরিত হতাম।
মেট্রিক পরীক্ষা পাশ করার আগে বাড়ীর ছেলেদের বাজারে যাওয়া প্রায় নিষিদ্ধই ছিলো নষ্ট হয়ে যাবার আশংকা থেকে। তবে বন্ধুদের সাথে বিকালে হাটতে বা খেলার ব্যাপারে বলবতকৃত সামরিক আইন একটু শিথিল ছিলো ক্লাস নাইনে উঠার পর। বাবা চাকুরী করতেন। তারপক্ষে অফিস শেষ করে বাড়ীতে ফিরে আর খবরদারী করার কোন শারীরিক শক্তি থাকতো না। তবে ফিরতে দেরী হলে আম্মাই র‍্যাবের ভূমিকা পালন করতেন। যথাসময়ে না ফিরে বহুবারই বিনাবিচারে হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছি। তারপরও বিপ্লব দীর্ঘজীবি হয়েছে।
হাঁটতে হাঁটতে আমি, উজ্জ্বল, ছায়েদ, কুদ্দুস, শফিক, মাসুদ, পারেভজ, মঈনুদ্দীন, রবীন্দ্র, ছাইফুলরা চলে যেতাম অনেক দূর। কখনো তেমুনিয়া, কখনো ইটাখোলা রেল স্টেশন অথবা সিও অফিসের সামনের রাস্তা ধরে জগদীশপুর চা বাগানে।আশেপাশের চা বাগানগুলোই ছিল আমাদের প্রিয় গন্তব্য। আমাদের এই কজনের সাথে মাঝে মাঝে অতিথি হিসাবে অনেকের মতো যোগ দিতেন এক ব্যাচ সিনিয়র জাহাঙ্গীর ভাই, কামাল ভাই, জাফর ভাই, টিপু ভাইরা। হাটতে হাটতে কত কথা, কত গল্প, কত দুষ্টামি…।
হাঁটা শেষ করে সন্ধ্যার সাথে সাথেই বাড়ী ফিরতে হতো। পড়তে বসতো হতো বাড়ীর দক্ষিনের ঘরে। রাত ৯টা সাড়ে ৯টার দিকে ডাক পড়তো খাবারের জন্য। খাওয়া শেষে আরেকবার একটু পড়েই ঘুম …। আবার স্বপ্ন, সকালে আবার বই নিয়ে স্কুলের উদ্দেশ্যে বাজার পেরিয়ে আনন্দের জীবন – ‘ছাইয়া দিলমে আনারে…’।
আমার জীবনের অন্যতম মধুর সময় কেটেছে হাইস্কুলে।জগদীশপুর প্রাইমারী স্কুলে ক্লাস টুতে ফার্স্ট হয়ে সম্ভাবনার (!) যে তীব্র (!) আওয়াজ দিয়েছিলাম সেই আওয়াজ আরো তীব্র হয়ে উঠে ক্লাস ফাইভে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাবার পর। তারপর জগদীশপুর যোগেশ চন্দ্র হাই স্কুলে ক্লাস সিক্সে ভর্তি হই উপজেলাতে দ্বিতীয় হয়ে ‘হামসে বরা কোন হ্যায়’ এই ভাব নিয়ে।তবে আমার এই ভাবকে প্রায়ই চ্যালেঞ্জ করে বসতো বন্ধু অমিতাভ। স্কুলেরই পন্ডিত স্যারের একমাত্র আদরের সন্তান। আমি ফার্স্ট, অমিতাভ সেকেন্ড।
আমার শুভাকাংখিরা ভয়ে ভয়ে থাকতেন কখন যে আমার সিংহাসন অমিতাভের দখলে চলে যায়। পড়া ফাকিঁতে ধরা পড়লেই বাবা বলতেন আমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা। আমার যে কিছুই হবে না ক্লাস এইটেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষক বাবু অরুনেন্দু বিকাশ দেবও।
এইটের বৃত্তি পরীক্ষার আগে এক লেখায় অসংখ্য বানান ভুল সনাক্ত করে সবার সামনেই একদিন তিনি আমাকে বলেছিলেন ঘড়ি আর সাইকেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে, চাইলে পড়াশুনা ছেড়ে দিতে পার। যে কথার মানে ছিলো পাত্র যথেষ্ট শিক্ষিত, বিয়ে করলে যৌতুক হিসাবে এদুটি আইটেম অবধারিত! এমন অব্যর্থ ভবিষ্যবাণী আমাকে নিয়ে এর আগে আর কেউ করেনি। প্রিয় এই স্যার এখনো জীবিত আছেন। স্যারকে বলা হয়নি ঘড়ি পেলেও সাইকেল কপালে জুটেনি।
স্কুল জীবনে আমাদের একটি প্রিয় দুষ্টামি ছিলো একটি মেয়ের সাথে আরেকটি ছেলের নাম যোগ চিহ্ন দিয়ে বেঞ্চে অথবা দেয়ালে লেখা। আমি যেমন অন্যের নাম লিখেছি, তেমনি আমার নামেও লেখা হয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের এনে গবেষনা করালে জগদীশপুর স্কুলের দেয়ালের কোন না কোন স্থানে অমর প্রেমের এসব গ্রাম্য বানী খুজেঁ পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই। সাথে আমার নামটাও।
আমাদের সময় রাস্তার পাশের মেয়েদের কমনরুম পেরিয়েই আমাকে স্কুলে ঢুকতে হতো। মনে পড়ে ক্লাস টেনে পড়াকালে মেয়েদের সেই কমনরুম থেকে অন্য ক্লাসের এক বালিকা আমাকে প্রতিদিন নিয়মকরে ফলো করতো। অপলক তাকিয়ে থাকতো জানালা ধরে। পাশের এক চা বাগান থেকে আসতো সে। ভয়ে এবং লজ্জায় তার দিকে তাকাতে পারতাম না। বুকে ধড়ফর ধড়ফর করতো। আবার কোন কারনে দৃষ্টি বিনিময় না হলে কেমন যেন করতো। এ এক রহস্যময় রসায়ন!
ভদ্র সমাজের ভয়ংকর অপরাধ বিবেচনায় তার সাথে এই দৃষ্টি বিনিময় নিয়ে কোনদিনই কথা হয়নি। ইট পাথরের দেয়ালে নাম লেখা হয়ে যাবে এই আতংকে কিংবা ‘গেল গেল’ রব উঠতে পারে এই ভয়ে কাউকে বলারও সাহস পেতাম না। একান্ত ব্যক্তিগত জীবন স্মৃতির প্রাসাদ খুলে যখন এর মধ্যে হাঁটছি তখনই তাকে উকিঁ মারতে দেখলাম। পড়নে হলুদ শাড়ী আর খোঁপায় বেলী ফুলের মালা। স্কুলে আমার শেষ প্রভাত ফেরীতে তাকে যে সেভাবেই দেখেছিলাম। সেই পথ আর জানালা এখনো আছে। সেই খুকীর জন্য আমার অনন্ত শুভকামনা।
নাইন থেকে টেনে উঠার আগের বার্ষিক পরীক্ষা। পরীক্ষা হলে নকলের বিরুদ্ধে চলছে অপারেশন ক্লীনহার্ট। এক শিক্ষক প্রতিদিন নির্দিষ্ট কয়েকজনের প্যান্টের পকেটসহ শরীর তল্লাশী করেন। এই অভিযান চিরতরে স্তব্দ করে দেয়ার জন্য সহপাঠি এবং একইসাথে আত্মীয়তা সম্পর্কে ভাগনা উজ্জ্বল বিশেষ ফন্দি আটে। একদিন সে তার প্যান্টের পকেট কেটে দিয়ে এবং আন্ডারওয়ার না পরেই পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ফলে অপারেশন চলাকালে এই শিক্ষকের হাত যথারীতি চলে যায় আমার ভাগনার বিশেষ অঙ্গে…।
সেদিনের পর সেই শিক্ষক আর কোন দিন কারো প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে নকল চেক করেননি। প্রাণে ভরপুর উজ্জ্বল পুরো সিস্টেম বদলে দিয়েছিলো। আমাকে সে মামু বলে সম্বোধন করতো। তার একটি মেয়ে আছে। নাম সামান্থা।
অভিমানী সামান্থা উজ্জ্বলের জন্য পথ চেয়ে থাকেনা, বাবাও ডাকেনা। তার কাছে জীবন অনেক দূ:খের।উজ্জ্বল সবাইকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেছে- বছর দুয়েক হয়। হার্ট এট্যাক হয়েছিলো।অবসরের পর পৃথিবী থেকে ছুটি নিয়েছেন সেই শিক্ষকও।
১৯৮৭ সালের জুলাই আগষ্টের কোন একদিন হবে – বড় ভাইয়ের হাত ধরে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়ী ছেড়েছিলাম। উদ্দেশ্য ঢাকার কলেজগুলোতে ভর্তির চেষ্টা। পরিষ্কার মনে আছে তেমুনিয়া বাস স্টেশন থেকে এক বিকালে মিতালী এক্সপ্রেসের কোচে উঠেছিলাম। কোচের ভিতর ক্যাসেটে উচ্চস্বরে বাজছিলো মুজিব পরদেশীর গান ‘আমার সাদা দিলে কাঁদা লাগাইলি…..’।সারা রাস্তায়ই ড্রাইভার একই ক্যাসেট বাজিয়ে তার দিলের চোট ছড়িয়ে দিয়েছিলো বাস যাত্রীদের মাঝে। বাস এগিয়ে যাচ্ছে, চেনা উষনতা আর কাছের জিনিস দূরে সরে যাচ্ছে। কেমন জানি ভয় ভয় লাগছিলো। জীবন আর জনসমুদ্রে হারিয়ে যাবার এই ভয়। একটু একটু কান্না পাচ্ছিল।
আমার অন্তপুরের সেই গোপন কান্না বুকের ভিতর থেকে দলা পাকিয়ে ফেনিয়ে ফেনিয়ে উঠতে লাগলো। মাধবপুর থেকে ভৈরব পর্যন্ত রাস্তার দুপাশের ভরা বর্ষার শান্ত থৈ থৈ পানির উপর সেই নাবালগ আবেগ সেদিন আছড়ে পড়েছিলো বহুবারই। জীবনের স্বপ্নটাকে খুব ভারী লাগছিলো! গন্তব্যে পৌঁছার আগেই রাত নামে। এক সময় সব পিছনে ফেলে বাউল আব্দুল করীমের ‘গ্রামের নওজোয়ানকে’ নিয়ে মিতালী এক্সপ্রেস পৌছেঁ যায় সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডে। ওয়েলকাম টু ঢাকা।
গ্রীণরোডে চারতালার এক বাসায় পরদিন ঘুম ভাঙ্গে ফেরিওয়ালার ’এই মুরগী… এই কলমিশাক…’ সুর করা ডাকে। সেদিনের পর থেকে আর পাখি ডাকিল না, নদী বহিল না, রাখাল বাজাইলো না বাঁশি। জীবন মিশে গেল কংক্রিটের ভীড়ে…।
তিতুমীর কলেজে অধ্যয়নরত আমার আরেক বড় ভাই আগেই বিভিন্ন কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করে সব ঠিক রেখেছিলেন। উচ্চ শিক্ষার্থে হিজরতের একদিন পরই ছিলো ঢাকা কলেজের ভর্তি পরীক্ষা। প্রথমটাই সই। যেদিন পরীক্ষা, সেদিনই ফলাফল, পরদিনই ভর্তি।
কিছু দিন পর বাড়ী থেকে টকটকে লাল রংয়ের নতুন লেপ, কালো রংয়ের তোষক আর একটা বালিশ দড়ি দিয়ে টাইট করে বেঁধে মায়ের দোয়া সাথে করে হাজির হলাম সাউথ হোস্টেলের নীচ তলার ১০৯ না রুমে।
পাশেই ইডেন কলেজ, গাউসিয়া মার্কেট এই সুখও মনে মনে ছিলো। ক্যাম্পাসে ‘চলছে লড়াই, চলবে’ শ্লোগান মাড়িয়ে রিক্সা থেকে নামতেই দেখলাম বিশাল দেহের বাবুর্চি ওলি ভাই গেটে বসা। দেখেই বুঝতে পারলেন ‘নতুন আমদানী’। ভূবন ভুলানো হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন কত নাম্বার। রুমের চাবি আগেই সংগ্রহ করা ছিলো। তবুও রুমটি দেখিয়ে দিলেন।
একদিন সবই হারায়। নরসিংদীর ওলি ভাই আর নেই। তার সাথে আমার অনেক স্মৃতি।সেদিনের পর আমার আর বাড়ী ফেরা হয়নি। এরপর বাড়ীর উদ্দেশ্যে বহুবারই চড়েছি মিতালী এক্সপ্রেসে। তবে অতিথি হয়ে, ছুটি কাটাতে। এখন তাও আর হয়ে উঠেনা।
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চারাভাংগা গ্রামের ধূলি আর জোস্না মেখে ১৯৮৭ সালে জীবন জয়ের যুদ্ধে শুরু করা আমার সেই যাত্রা আজও থামেনি।তবে জীবনের এতটা পথ হেটে আজও চোখ বুঝলে শুনতে পাই সওয়াব চাচার পুকর পাড়ের তাল গাছ থেকে টুপ করে তাল পড়ার শব্দ, দেখি দুধ চাচার পুকুর পাড়ের গাব গাছের ভূতুম প্যাঁচাকে, যাকে ভূত ভেবে আমরা ভয় পেতাম।
আরো দেখি গ্রামের মসজিদ, সংলগ্ন পুকুর পারে পূর্ব পুরুষদের সারি সারি কবর, ছোট ছোট বাড়ী, ধান ক্ষেত, নবান্নের উৎসব, টিনের চালে বর্ষার ঢল, হেমন্তের কুয়াশা, সন্ধ্যার অস্পষ্টতায় বিষন্ন চা বাগান, বুনো গন্ধময় মেঠো পথ, নিস্তব্দ পথের ধারে রাতের জোনাকী পোকা, কত প্রিয় মানুষ, কত চেনা মুখ। আমার এই দেখা শেষ হয় না…।
আমার প্রিয় চারাভাঙ্গা আর জগদীশপুর আর আগের মত নেই। সারা দেশের মতোই ধানের সোনালী জমিন ধর্ষন করে চলছে শিল্প বিপ্লব! আমাদের কুৎসিত এবং রুচিহীন শহরগুলোর বিকৃত রুপ এলোমেলো ভাবে আছড়ে পড়ছে অট্রহাস্যে! তারপরও সে আমারই কল্পলোকের রাজপ্রাসাদ। এই প্রাসাদের দুটি কক্ষ বাড়ীর পাশের প্রাইমারী স্কুল আর বাজার পেরিয়ে যোগেশ চন্দ্র হাই স্কুল।এখনও সেখানে ঘন্টা বাজে, এখনও দলবেধে ছেলে মেয়েরা চেনা পথে বাড়ী ফিরে।
শুধু আমারই ফেরা হয় না। শুধু আমারই পথ ফুরায় না। সেদিনের সেই গ্রামীন নাবালককে ভিতরে নিয়ে আমি কেবলই পথ হাটিঁ!নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছি এবার যদি বেঁচে যাই আবার হাঁটবো সেই চেনা পথে…প্রাণভরে..।
‘Give me some sunshine, give me some rain
Give me another chance, I wanna grow up once again…’
লন্ডন ২৩ এপ্রিল ২০২০।