প্রচ্ছদ ফিচার ইষ্ট লন্ডনে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

ইষ্ট লন্ডনে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

175
0
নারী ডেক্স: পবিত্র রমজানের আমেজ কাটিয়ে ঈদ আনন্দের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এখন লন্ডনের মুসলমানরা। মাত্র কয়েকদিন পর সারা বিশ্বে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ উপলক্ষে ইষ্ট লন্ডনের এশিয়ান শপিং সেন্টারগুলো ব্যস্ত হয়ে উঠেছে ক্রেতাদের ভীড়ে। পছন্দসই জামাকাপড়, গয়না, জুতা ও প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ক্রয় করার জন্য বিভিন্ন দোকানে ভীড় জমােচ্ছেন ক্রেতারা।
ইষ্ট লন্ডনের অতি পরিচিত এশিয়ান শপিং সেন্টার গ্রীণষ্ট্রীট, ইলফোর্ড লেন, ওয়াইচ্যাপলের সেলোয়ার কামিজ, শাড়ী ও গয়নার দোকানগুলোতে গত দু’দিন ধরে ক্রেতাদের ভীড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। ঈদ কেনাকাটা জন্য আগামী দিনগুলোতে ক্রেতাদের সমাগম আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন গ্রীণষ্ট্রীট ও ইলফোর্ড লেনের বিভিন্ন দোকানের মালিকরা।
গ্রীণষ্ট্রিটের অতি পরিচিত এক দোকানের মালিক বললেন, এবারের ঈদে তরুণীরা তাদের দোকান থেকে রেডি মেইট সেলায়ার কামিজ ও থ্রী পিসের কাপড় কিনে সেলাই করাচ্ছেন মনমতো ডিজাইন দিয়ে। দশ রমজান পর থেকে দোকানে ক্রেতাদের ভীড় বাড়তে থাকে এবং গতমকয়েকদিন থেকে ঈদ বাজার আরো জমজমাট ভাবে জমে উঠেছে বলে জানিয়েছেন। ঐ দোকানের সেলোয়ার কামিজ ও থ্রী পিস কাপড়ের মূল্য ৫০ পাউন্ট থেকে শুরু করে ২৫০ শত পাউন্ড পর্যন্ত । তরুণীরা পছন্দের কাপড় কিনছেন নিজের জন্য এবং অনেকেই কিনছেন প্রিয়জনদের গিফট দেয়ার জন্য। এবারের ঈদ ব্যবসা সফল বলেও তিনি জানিয়েছেন।

 

ঈদ বাজার ঘুরে আরো জানা গেছে, বাঙালি বেশির ভাগ নারীদের পছন্দের তালিকার এক নম্বারে প্রাধান্য পচ্ছে শাড়ী। বেশ কয়েকজন নারী ক্রেতা জানালেন, উৎসবে শাড়ী না পরলে ভালো লাগে না। বাঙালি নারীদের সৌন্দর্য আরো বেশি ফুটে উঠে শাড়ীতে। শাড়ির কোন বিকল্প নেই বলে তারা মনে করেন। বিভিন্ন শাড়ী দোকানের মালিকরা জানালেন, নারীরা এবারের ঈদে বেনারসী, সিল্ক কাতান ও নেটের বিভিন্ন কারুকাজের শাড়ীগুলো কিনার জন্য উ্ৎসাহী। বিভিন্ন দোকানে একদামে সবকিছু বিক্রি হচ্ছে ।

 

শুধুমাত্র শাড়ী আর সেলোয়ার কামিজের দোকানগুলো নয়। গয়না ও জুতার দোকানগুলোতে ও ক্রেতাদের সমান ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। কাপড়ের সাথে মানানসই জুতা আর গয়না না হলে কি চলে। পাজ্ঞাবী ও সেরায়ানীর দোকানগুলোতে ও ভীড় জমেছে। ছোট বড় অনেকেই নিজের পছন্দের পাজ্ঞাবী ও সেরায়ানী ও ম্যাচিং করে জুতা কিনছেন দোকান থেকে।

ঈদের আনন্দে ক্রেতাদের ভীড়ে মেতে উঠেছে স্থানীয় বাজারগুলো। দোকানের মালিকরা জানিয়েছেন বছরের এইদিনগুলো তারা বেশ উপভোগ করেন। বিশেষ করে ঈদের আগের দিন চাঁদনী রাত বেশ জমজমাটভাবে আয়োজন করা হয়ে গ্রীণষ্ট্রীটে। দীর্ঘরাত পর্যন্ত খোলা থাকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানগুলো। রাস্তার দুপাশে অসংখ্য মেহেদীর স্টলসহ বিভিন্ন ধরণের খাবারের দোকান খোলা হয় সে রাতে। বিগত কয়েক বছর থেকে চাঁদনী রাতে প্রায় কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয় গ্রীণষ্ট্রীটে ।