প্রচ্ছদ কবিতা নদী

নদী

821
0
SHARE
নদী
সৈয়দ মবনু
নদীতে প্রবহমান সময়। ক্রমাগ-বছর-দশক-শতাব্দী। দীর্ঘদিন আমি যেন বসা ছিলাম এই নদীর তীরে আলো-আঁধারী পূর্ণিমায়। যন্ত্রণার কোলাহলে তন্ময় আমি। নিঃসঙ্গ আমি। বিরহিত আমি ধিমান মাখাল কবি। না, কখনো তোমাকে নিয়েকোন অভিপ্রায় ছিলো না। বলো, ওহে নদী! অমি কি কখনো খেয়াল বে-খেয়ালে জলদস্যুর মতো নৌপথে রাহাজানী করেছি? আমি কি বখাটেদের মতো মোহনায় দাঁড়িয়ে তোমার উলঙ্গ পায়ে জ্বলন্ত সিগ্রেট কিংবা অন্য কোন কাগজ ফেলেছি? আমি কি ফ্রয়েডের মতো যেথায়-সেথায় তোমার লিপিস্টিক লাগানো লাল ঠোঁটে দিয়েছি কালো চুম্বন? আমার ফ্রয়েডীয় বন্ধুরা মশকরা করে বলে, সৈয়দকে দিয়ে কবিতা হবে না। সে যৌবন কিংবা কৈশোরে শাক-শুটকি খায়নি। ফ্রয়েডীয় নিয়মে করেনি প্রেম-পরকীয়া। বিশ্বাস করো নদী, আমাকে দিয়ে কী হবে কী হবে না, ঘোড়ার আন্ডা এসব নিয়ে ভাবি না। আমি শুধু হাটি কক্ষপথে। নিরবে হাটি পূর্ণিমা কিংবা অমাবস্যায়। তন্ময় হয়ে দেখি বিরহিত মনের বেদনায় কাতর নদীর জল। আমি তার ভেতরে আলিফের মতো
প্রেম
শুধু প্রেম
খুঁজি শব্দ
ধ্বনির সর্বাঙ্গে লেপ্টে থাকা কায়কি মায়া
আর মহাকালের ধান ক্ষেতে সঞ্চিত করি মায়ার পলি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here